April 19, 2026, 2:59 pm

মতলব উত্তরে সিপাই কান্দি ও ঠেটালীয়া গ্রাম আবারও নদী ভাঙ্গনের কবলে

মমিনুল ইসলাম, মতলব(চাঁদপুর) প্রতিনিধি:-চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১০ নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের সিপাই কান্দি ও ঠেটালীয়া গ্রাম আবারও ধনাগোদা নদীর ভাঙ্গনের কবলে। সরজমিনে জানা যায়, সিপাই কান্দি ও ঠেটালীয়া গ্রামের অসংখ্য বসত বাড়ি ও আবাদী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। যে অংশ টুকু এখনও আছে সেটি রক্ষা করার জন্য গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে চাঁদপুর -২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. নুরুল আমিন রুহুল এমপি একে একে তিন বার পরিদর্শনে আসেন। এমপির সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধতন কতৃপক্ষ, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নিবার্হী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, মেঘনা ধনাগোদা পানি ব্যবস্হাপনা ফেডারেশনের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তি যোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, পানি ব্যবস্হাপনা ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক সরকার মোঃ আলাউদ্দিন সহ আর ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণ সরজমিন পরিদর্শন করেন।

তার পর এমপি নুরুল আমিন রুহুলের আমন্ত্রণে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বেরিবাদের চতুর্দিক নদী ভাঙ্গনের স্পটগুলো পরিদর্শন করে বাঁধ ও গ্রাম নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃপক্ষের জরুরী নির্দেশ প্রদান করেন।

পরে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে সিপাই কান্দি ও ঠেটালীয়া গ্রাম রক্ষায় বড় আকারের বালি বর্তি জিও ব্যাগ নদীতে নিক্ষেপ করা হয়। বর্তমানে ২০২১ এর চলতি মৌসুমে আবার ও ৩/৪ টি স্হানে ভাঙ্গন দেখা দেয়। গত একমাস পূর্বে ঐ এলাকার ৩/৪ টি স্হানে প্রায় ২০০ ফুট জায়গা নদী গর্ভে দেবে যায়।

আজ ২রা মে সকাল ভোরে প্রায় ৬০/৭০ ফিট জায়গা সিপাই কান্দি মিজি বাড়ির সামনে দেবে যায়। স্হানীয় লোকজন জানান, যে সমস্ত জায়গায় বস্তা কম ফালানো হয়েছে, সে সমস্ত জায়গায় আবার ও নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়। এ দুটি গ্রাম ও বেড়ীবাঁধ রক্ষার স্বার্থে স্হায়ী ভাবে বড় আকারের ব্লক নিক্ষেপ করার জন্য চাঁদপুর -২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাড মোঃ নুরুল আমিন রুহুল এমপি, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, পানি ব্যবস্হাপনা ফেডারেশনের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তি যোদ্ধা এমএ কুদ্দুস ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফুল হাসানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকা বাসি।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা